জানা- অজানা

নেশা ও দেহ ব্যবসায় যে সব নায়িকারা জড়িত? এরা কারা? নামগুলো জানলে চমকে উঠবেন…

নেশা ও দেহ ব্যবসায় যে সব নায়িকারা জড়িত? এরা কারা? নামগুলো জানলে চমকে উঠবেন…

আর একবার পৌঁছে গেলে এই দুনিয়ায় নেশাই আলাদা। যে নেশা থেকে বেরিয়ে প্রায় অসম্ভব। গাড়ি, বাড়ি, সাজ-পোশাক সবেতেই থাকে স্ট্যাটাস সিম্বল। আর এই সেলেব জীবন যাপনের প্রয়োজনে অনেক সময় অনৈতিক পথে হাঁটানে সেলেবরা।
আবার কখনও খ্যাতি হয়ে দাঁড়ায় সেলেব একাকীত্বের কারণ সেই ডিপ্রেশন থেকে বার হতে অনেকেই মাদক নেশায় থাকেন বুঁদ। আসুন চোখ রাখা যায় এমন কয়েকজন অভিনেত্রী দিকে যাদের নাম জড়িয়েছে নেশা ও মাদক চক্রে।

শ্বেতা বসু: বেশ কিছুদিন হল হায়দ্রাবাদের বাঞ্জারা হিলসের একটি পাঁচতারা হোটেলে অভিযান চালালে দেহ ব্যবসার অভিযোগে
হাতে নাতে ধরা পড়েন ‘ইকবাল’-এর সেই মেয়েটি। সঙ্গে গ্রেফতার হন বেশ কয়েকজন হাই প্রোফাইল শিল্পপতিও। যদিও তাদের নাম পুলিশ বা মিডিয়ার তরফে প্রকাশ করা হয়নি।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, অভিযোগ স্বীকার করে শ্বেতা জানিয়েছিলেন হাতে কাজ না থাকায় আর্থিক অনটনের কারণেই দেহ ব্যবসার পথে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি। যদিও পরে শ্বেতা জানান এই সবই তাঁর বিরুদ্ধে রটনা। আদালত তাঁকে ছ’মাস
রেসকিউ হোমে থাকার নির্দেশ দেলেও পরে অবশ্য শ্বেতার বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ খারিজ করা হয়েছে।

মমতা কুলকার্নি: কিছুদিন আগে মাদক পাচারের অভিযোগে স্বামী বিকি গোস্বামী সহ কেনিয়ায় গ্রেফতার হন নব্বইয়ের দশকের এই অভিনেত্রী। এর আগেও ১৯৯৭ একই কারণে দুবাই থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু সেবছর তাঁর যাবজ্জীবন কারাবাসের সাজা ঘোষিত হওয়া সত্ত্বেও ২০১২ সালে তাঁকে ছাড়ে দেওয়া হয়।

নীতু আগরওয়াল: তেলেগু এই অভিনেত্রী বর্তমানে ফেরার। তাঁকে খুঁজছে কালনোল পুলিস। চন্দনকাঠ পাচার চক্রে নাম জড়িয়ে আছে এই নায়িকার।

সিমরন সুদ: প্রযোজক করণ কাঁকড় হত্যা কান্ড গ্রেফতার হন এই অভিনেত্রী। এছাড়া সন্দেহ করা হচ্ছে দিল্লি ব্যবসায়ী অরুণ
কুমার টিক্কুর খুনের পিছনেও হাত রয়েছে এই নায়িকার।

সাইরা বানু: ২০১০ সালে নারী-পাচার চক্রে গ্রেফতার করা হয় নায়িকা সাইরা বানু ও তাঁর স্বামীকে। জানা গিয়েছে, বেগুমপেট সহ হায়দরাবাদে বিভিন্ন জায়গায় তাঁর সেক্স র্যা। কেট চক্র চলত।

 

দীর্ঘ পঁয়ত্রিশ বছর যাবৎ যিনি লাশ কাটেন, সেই ডোম রুস্তম সালমান শাহ’র মৃত দেহ দেখে যা বলে ছিলেন…..

দীর্ঘ পঁয়ত্রিশ বছর যাবৎ- সালমানকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করলেন সালমান শাহ’র আপন ছোট ভাই শাহরান। তিনি বলেন, সালমান শাহ হত্যার পুরো ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে। আমরা যখন সালমানকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তখন তাদের সাথে চালাকির আশ্রয় নেওয়া হয়। আমার বাবা-মাকে আলাদা ভাবে সরিয়ে দিয়ে দ্রুত পোস্ট মর্টেম করতে নিয়ে যাওয়া হয়। আমি পোস্ট মর্টেম এর সময় থাকতে চেয়েছিলাম আমাকে থাকতে দেওয়া হয়নি।

আজ সকালে শাহরান মা নীলা চৌধুরীর সাথে ফেসবুক লাইভে এসে এসব কথা বলেন। শাহরান লাইভে দাবি করেন সালমান শাহ’র ওজনের কথা উল্লেখ করে বলেন, যদি সে ফ্যানে ঝুলে আত্মহত্যা করে তাহলে ফ্যান একটুও বাঁকা হলো না কেন? ফ্যান তো ভেঙে পড়ার কথা।

তিনি বলেন, সালমান শাহ যদি আত্মহত্যাই করে থাকে তাহলে সকালে ঘুম থেকে উঠে কেন করলো? মানুষ তো ঘুম থেকে উঠে এরকম করতে পারে না, করলে রাতেই করতে পারতো।

সালমান শাহকে হত্যা করা হয়েছে উল্লেখ করে শাহরান বলেন, যদি সালমান শাহকে আত্মহত্যা করে থাকে তাহলে তার রুমের দরজায় কেন দায়ের কোপ থাকবে? দেওয়ালে কেন ধস্তাধস্তির চিহ্ন থাকবে? আমি নিজে দেখেছি সেসব। আমার ভাই মার্লবোরো
গোল্ড ব্র্যান্ডের সিগারেট খেতো, সেখানে অন্য ব্র্যান্ডের সিগারেটের খোসা  আসলো কোথা থেকে? কারা খেয়েছিল এই সিগারেট?

শাহরাম বলেন, সামিরাকে ‘কিস’ করার জন্য আজিজ মোহাম্মদকে ভাইকে সালমান প্রকাশ্যে সোনারগাঁও হোটেলে চড় মেরেছিল। এই বিষয়টা সবাই জানে।

শাহরান বলেন, আমার ভাইকে আমি চিনি, আমার সাথে সে অনেক ঘনিষ্ঠ। যদি তার  মনে কোনো এরকম চিন্তা থাকতো তাহলে অবশ্যই আমার সাথে শেয়ার করতো। আমরা একই বিছানায় ঘুমাতাম। দাফনের আগে আমি তাকে গোসল করিয়েছিলাম। আমি তার ফাঁসির কোনো চিহ্ন ছিল না, একটা টেলিফোনের তার জড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।

শাহরান বাংলাদেশ সরকারের কাছে শালমান শাহ হত্যার বিচার চেয়েছেন। তিনি বলেন, আমার ভাইয়ের হত্যাকারীদের শাস্তি হোক, একটা ফেয়ার বিচার হোক।গুরুত্বপূর্ণ আলামত নষ্ট, অধিকাংশ সাক্ষী এবং আসামি বিদেশে থাকায় জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহের ‘অপমৃত্যু’র

মামলার তদন্ত নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পেয়ে একাধিক সাক্ষীর বক্তব্য নতুন করে রেকর্ড করেছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, ‘সালমান শাহ যদি আত্মহত্যা করে থাকেন তাহলে কি কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন সেটা উদঘাটন; আর যদি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়ে থাকেন তাহলে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে কাজ করছেন তারা।’

এদিকে সালমান শাহের মৃত্যু নিয়ে তিন দিনের মাথায় ভোল পাল্টেছেন তার এক সময়ের বিউটিশিয়ান যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী রাবেয়া সুলতানা রুবি। সালমান শাহের মৃত্যুর পর দায়ের করা মামলার আসামিও এই রুবি। প্রথমে এক ভিডিও বার্তায় তিনি
বলেছিলেন ‘সালমান শাহ আত্মহত্যা করেনি, তাকে খুন করা হয়েছিল।

আমার স্বামী তার খুনের সঙ্গে জড়িত।’ রুবির এমন ভিডিও বার্তা ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার তিনি দিন পর বুধবার নতুন আরেকটি ভিডিও বার্তা পাঠান তিনি। এতে তিনি বলেছেন, ‘আমি বলব না যে এটা আত্মহত্যা বা হত্যা। এটা আমার বলা উচিত
না।

আমি আগেরবার যেটা বলেছি সেটাতে আমার ভুল (রং) ছিল। আমি ইমোশনাল ছিলাম বেশি, যার জন্য আমি বলেছিলাম হত্যা। হত্যা নাকি আত্মহত্যা এটা সামিরা এবং তার বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বের হবে।’ এ ভিডিও বার্তাটি ফেসবুকে প্রচারের
পর থেকে রুবিকে যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়াতে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে।

রুবির দুটি ভিডিও বার্তাই আমলে নিয়েছে তদন্ত সংস্থা পিবিআই। সংস্থাটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রুবির দুটি ভিডিও বার্তাই আমলে নেয়া হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এছাড়াও এ মামলায় পলাতক আসামিদের মধ্যে যারা বিদেশে
অবস্থান করছেন তাদের খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে পিবিআই’র বিশেষ পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ বুধবার যুগান্তরকে বলেন, মামলা তদন্তের দায়িত্ব পেয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছে পিবিআই। ইতিমধ্যে মামলার সাক্ষী হিসেবে নতুন করে সালমান শাহের মামা ও মা নীলা চৌধুরীর বক্তব্য রেকর্ড করা হয়েছে।

এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ কিছু আলামত উদ্ধার করা হয়েছ।’ এ পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, এ মামলার আসামি রুবির দুটি ভিডিও বার্তা সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ হচ্ছে। এর আগে তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন। তার সব বক্তব্য আমলে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি নিচ্ছে পিবিআই।

এদিকে দ্বিতীয় ভিডিও বার্তায় নিজের স্বামী ও পরিবারের সদস্যদের বাদ দেয়ার বিষয়টি নিয়ে ভক্ত ও সচেতন মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তারা বলছেন, সালমান শাহের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে রুবিকে ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কাছে গুরুতপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে। তিনি ভয়ে নাকি অন্য কোনো কারণে বক্তব্য থেকে সরে এসেছেন সেটাও খতিয়ে দেখা দরকার।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, শুরু থেকেই সালমান শাহের পরিবার এ ঘটনায় রুবি ও তার পরিবারকে সন্দেহ করে আসছিল। তিনি এ মামলার ৬ নম্বর আসামি। বিভিন্ন সময় তিনি মামলার বিষয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করলেও সম্প্রতি দুটি ভিডিও বার্তায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। এ মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে তার এসব তথ্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তাই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার।

সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান। তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশকে জানান তার স্ত্রী সামিরা। কিন্তু সালমান শাহের পরিবার একে হত্যা বলে আসছিল। সালমান শাহের মৃত্যুর পর তার বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী একটি
অপমৃত্যু মামলা করেন।

বিভিন্ন সংস্থা এ মামলার তদন্ত করেছে। ওই সময় সালমানের মা নীলা চৌধুরী আদালতে পিটিশন দায়ের করে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে বলেন, তারা হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। এ নিয়ে আলাদা কোনো মামলা হয়নি। ওই পিটিশনে রুবি ৬ নম্বর
আসামি।

তবে গত দুই দশকেও এ মামলার রহস্য উদঘাটন হয়নি। পুলিশ দুই দফা ময়নাতদন্ত করে একে আত্মহত্যাই বলেছিল। কিন্তু নারাজি দিয়েছে সালমান শাহের পরিবার। মামলাটির বিচার বিভাগীয় তদন্তও হয়েছিল। এখন মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব
ইনভেস্টিগেশন পিবিআইয়ে রয়েছে।

দুই ভিডিও বার্তায় রুবি যা বলেছেন : প্রথম পাঠানো ভিডিও বার্তায় রুবি বলেন, ‘সালমান শাহ আত্মহত্যা করেনি, তাকে খুন করা হয়েছিল। আমার স্বামী তার খুনের সঙ্গে জড়িত। এটা সামিরার ফ্যামিলি করাইছে আমার হাজবেন্ডকে দিয়ে,সবাইরে দিয়ে, সব চাইনিজ মানুষ ছিল।

সালমান শাহ আত্মহত্যা করে নাই, সালমান শাহ খুন হইছে। এই খুনের বিষয়ে আমি সব জানি। যেভাবেই হোক আবার যেন মামলা তদন্তের ব্যবস্থা করা হয়। আমি যেমন করেই হোক আদালতে সাক্ষী দেব।’ সোমবার ফেসবুকে রুবির এ ভিডিও বর্তায় সালমান শাহের মৃত্যু নিয়ে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়। বুধবার ভোল পাল্টে রুবি দ্বিতীয় ভিডিও বার্তা পাঠান।

পরের বার্তায় তিনি বলেন, ‘আমি বলব না যে এটা আত্মহত্যা বা হত্যা। এটা আমার বলা উচিত না। আমি আগেরবার যেটা বলেছি ভিডিওতে সেটাতে আমার ভুল (রং) ছিল। আমি ইমোশনাল ছিলাম বেশি, যার জন্য আমি বলেছিলাম হত্যা। হত্যা নাকি
আত্মহত্যা এটা সামিরা এবং তার বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বের হবে।’

রুবি আরও বলেন, ‘আত্মহত্যা নাকি হত্যা এটা নিয়ে আর কথা বলব না। ওইদিন মাথা ঠিক ছিল না, তাই ওসব কথা বলেছিলাম। এখন আমার যদি কিছু হয়ে যায় তাহলে কোনো দিন ভাববেন না যে বাইরের মানুষ আমায় কিছু করেছে। সবসময় মনে করবেন আমার পরিবারের মানুষ আমায় কিছু করেছে।’

রুবি বলেন, ‘সালমান শাহের স্ত্রী সামিরা কেন কথা বলে না? তার বাবা হীরা কেন এত কথা বলে? ওকি (সামিরা) কি ভিআইপি? বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর থেকেও কি ওপরে যে উনি কথা বলতে পারেন না? জনগণের সামনে আসতে পারেন না? কেন উনার
ভয়? কারণ কথা বলতে পারবে না তো। ওদের ধরুন তাদের ধরলে আরও অনেক তথ্য পাওয়া যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সামিরা কেন সামনে এসে বলে না আমি কি করেছি, আমাকে নিয়ে কেন এত প্রশ্ন বা আমার কি কারণ ছিল যে আমি ওকে খুন করব? কিছুই তো বলে না ও, যা বলে ওর বাপ শফিকুল হক হীরা।’

রুবি বলেন, আমার স্বামীকে কিন্তু কেউ দোষ দেবেন না। আমি যে কথা বলেছি সেটা আমার জানের ভয় ছিল দেখেই বলেছি। আমি ভিডিওতে বলার পরে আর জানের ভয় করিনি। ভিডিওটি ফেসবুকে পোস্ট করেছি মানুষের জন্য না। নীলা ভাবির (সালমান শাহের মা) জন্য একটি মেসেজ ছিল।

এটা আত্মহত্যা না, খুন হতে পারে। আমার মুখ দিয়ে অন্য কথা বের হয়ে গেছে। যাই হোক কে কি মনে করে এতে আমার কিছু যায় আসে না। আমার স্বামীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তিনি (আমার স্বামী) আমাকে অনেকে অনেক কিছু বলেছেন। তিনি বলেছেন, আমি অনেক কিছু করেছি। কিন্তু খুন করিনি, কারণ খুন করার সাহস আমার নেই।

সর্বোচ্চ পঠিত

To Top
[X]