স্বাস্থ্যকথা

করল্লা দেবে বিভিন্ন রোগের সমাধান…

করল্লা দেবে বিভিন্ন রোগের সমাধান…

অ্যালার্জিঃ

অ্যালার্জি প্রতিরোধে করল্লার উপকারিতা অপরিসীম। করল্লার রসে উপকার পাওয়া যায়।

গেঁটে বাতঃ

নিয়মিত করল্লার রস খেলে বাতের ব্যথায় উপকার পাওয়া সম্ভব।

স্ক্যাবিসঃ

করল্লার রসে জীবাণুনাশক ক্ষমতা রয়েছে। বিভিন্ন রকম ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে করল্লার উপকারিতা অপরিসীম।

এ্যাকজিমাঃ

করল্লার রসে জীবাণুনাশক ক্ষমতা রয়েছে যা বিভিন্ন রকম ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করে। এ্যাকজিমা প্রতিরোধে করল্লার উপকারিতা অনেক।

লিভার ডিজিজঃ

লিভার ডিজিজ খাওয়ার রুচি কমিয়ে দেয়। খাওয়ায় আবার রুচি ফিরিয়ে আনতে করল্লার উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না।

এনিমিয়াঃ

ভিটামিন সি প্রোটিন ও আয়রন শোষণে সাহায্য করে। করল্লায় প্রচুর ভিটামিন সি আছে যা আয়রন শোষণ করে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায়।

চুলের ক্ষতিঃ

যথেষ্ট পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় চুলের জন্য করল্লার উপকারিতা অনেক।

কোষ্ঠ্যকাঠিণ্যঃ

করল্লা ডাইটারি ফাইবার সমৃদ্ধ। তাই পেটের সমস্যায় করল্লার উপকারিতা অনেক।

গ্যাস্ট্রোইসোফ্যাগাল রিফাক্স ডিজিজ(জিইআরডি): পেটের গ্যাস কমাতে সাহায্য করে।

ম্যালেরিয়াঃ

ভিটামিন সি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে যা ম্যালেরিয়া প্রতিরোধ করে।

মাথা ব্যথাঃ

মাথা ব্যথা কমিয়া দেয়।

এন্টিএজেনঃ

অ্যান্টিওক্সিডেন্ট বার্ধক্য ঠেকিয়ে রাখে ও শরীরের কোষ গুলি কে রক্ষা করে। এতে আছে লুটিন ও লাইকোপিন। এগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। লাইকোপিন একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। করল্লায় প্রচুর লাইকোপিন থাকে। বার্ধক্য ঠেকিয়ে রাখতে করল্লার উপকারিতা অপরিসীম।

রাতকানা রোগঃ

করল্লাতে যথেষ্ট পরিমাণে বেটা ক্যারোটিন রয়েছে। দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে ও চোখের সমস্যা সমাধানে বেটা ক্যারোটিন খুবই উপকারী।

কোন কোন ক্ষেত্রে করলা খাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ আনবেন?

কিডনি ডিজিজঃ

যাদের রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বেশি তাদের করল্লা না খাওয়াই ভাল। করল্লার উপকারিতা থাকলেও কিডনি ডিজিজের রোগীদের করল্লা এড়িয়ে চলা উচিৎ।

ডায়ারিয়াঃ

এটি আশঁযুক্ত খাবার বলে ডায়ারিয়া রোগীদের দেওয়া হয় না।

লিভার সিরোসিসঃ

তিতা বেশি খেলে লিভারে ক্ষতি করে। কারণ এটি বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে।

করল্লার জীবাণুনাশক ক্ষমতা রোগ-প্রতিরোধ এবং রোগ নিরাময়ের জন্য অসাধারণ ক্ষমতা রাখে। ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া কে প্রতিরোধ করতে এবং গুড়া কৃমি, ফিতা কৃমি, অ্যাস্ক্যারিয়াসিস, সাধারণ সর্দি-কাশি, ক্রনিক অবস্ট্রাক্টিভ পালমোনারি ডিজিজ, ব্রঙ্কাইটিস, ব্রঙ্কিঅ্যাকট্যাইসিস, কোলনজাইটিস, গলস্টোন, গলব্লাডার ক্যান্সার, ও গলব্লাডার ডিজিজ সারাতে করল্লার উপকারিতা রয়েছে।

Loading...

সর্বোচ্চ পঠিত

Loading...
Loading...
To Top